1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Dailik Drishtipat : Dailik Drishtipat
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

দৃষ্টিপাত ডেস্ক :
  • Update Time : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

কালিগঞ্জ (সদর) প্রতিনিধি : করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে ৫৪৩ দিন বন্ধ থাকার পর সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলাও খুলেছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনার সংক্রমণ কমায় বিদ্যালয় খুলে যাওয়ায় খুশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, অনলাইনে ক্লাস করলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের রয়েছে নাড়ীর টান, মিস করেন শ্রেণিকক্ষ। তেমনিভাবে শিক্ষরাও বলছেন, মিস করেছেন শিক্ষার্থীদের। তবে কিছুটা সংকায় থাকলেও আনন্দিত অভিভাবকরা। রোববার উপজেলার পানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গিয়েছে। পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মিনা পারভিন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় কেমন লাগছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কিছুদিন পর এসএসসি পরীক্ষা হবে। দেড় বছর শ্রেণিকক্ষে আসতে পারিনি তাই মনটা খারাপ। সরকার বাহাদুরের সময় উপযোগী এই সিদ্ধান্তে স্কুল খুলে দেওয়াতে আমরা খুব আনন্দিত। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী হুমায়ুনকে সাকি বলেন, আজকে মনে হচ্ছে ঈদের দিন। এমন ভালো খুব কম সময়ে লেগেছে। ভালো লাগছে আবার এক সঙ্গে স্কুলে আসব। সবাই মিলে ক্লাস করব। সাহিদা বেগম নামে একজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা হয়। তার মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। সবকিছু মিলে কেমন লাগছে- এর জবাবে তিনি বলেন, খুব ভালো। যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। বাচ্চারা বাসায় আসলে পড়তে চায় না তেমন। স্কুলেই হলো ওদের সব। সারাদিন বাসায় থাকতে থাকতে এক প্রকার অন্য ভুবনে চলে গিয়েছে বাচ্চারা। এখন স্কুল খোলায় আবার স্বাভাবিক হবে সবকিছু। পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হুমায়ূন কবীর বলেন, খুব ভালো লাগছে। শিক্ষার্থীদের অনেক মিস করেছি। সবসময় মনটা পড়ে থাকত স্কুলে। আসলে শিক্ষার্থীদের ছাড়া মনটা ভালো লাগে না। মনে হচ্ছে,আজকে চারিদিকে আনন্দের রোল পড়েছে। অভিভাবক, শিক্ষার্থী সবাই আজকে খুশি। আমরা যতোটা সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করেছি। আমরা সকল শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলছি। অভিভাবকরাও সচেতন রয়েছেন। সবশেষে আমরা আনন্দিত। এদিকে দেখা গেছে, স্কুলে প্রবেশের আগে লাইন ধরে ধরে ভেতরে প্রবেশ করছে শিক্ষার্থীরা। আর অভিভাবকরা বাইরে অপেক্ষা করছেন। স্কুলের প্রধান ফটকে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। একইসঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা হচ্ছে। শিক্ষকরা মুখে মাস্ক এবং গ্লাভস পরে আসছেন। শ্রেণিকক্ষের প্রতিটি বেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসছেন। দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

শেয়ার

আরও খবর
© All rights reserved © 2020 dainikdristipat.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazardristip41